Spring time

1-Aam Mukul

“ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,”
“The aroma of the mango orchard in the spring time drives me crazy, O mother dear”.   From Tagore’s  “Aamar sonar Bangla”(আমার সোনার বাংলা).

“Aamar Sonar Bangla” was written by Tagore in 1905 when British tried to split the united Bengal. Due to movements, when they failed, they changed the strategy and spitted Bengal into provinces on linguistic basis. This resulted then Bengali dominated district Manbhum detached from Bengal and attached to Bihar-Orissa province in 1912.

Tagore wrote host of other songs such as this were meant to rekindle the unified spirit of Bengal, to raise public consciousness against the communal political divide.

Part of this song, Bangladesh adopted as their National Anthem in 1971.

Listen the song here (Sung by legendary singer Suchitra Mitra)

Posted in Nature, Uncategorized | Tagged , , , , , , , | Leave a comment

একটি শিশির বিন্দু



Photocopy of the manuscript of the poem “Durlabh” and below, photocopy of the poemDurlabh

Posted in Uncategorized | Leave a comment

Existence of God


Something interesting regarding those who believe and those who don’t believe in God ! It stimulates our lateral thinking. (Please open it in Mozilla Firefox browser to get the Bengali correctly)

ঈশ্বরে বিশ্বাস থাক বা না থাক, এই গল্পটি আমাদের ঈশ্বর সম্বন্ধীয় ধ্যান ধারনাকে একটু নাড়া দেয় । আমরা আবার ভাবতে বসি- হয়তো সত্যি – – – – থাক ! গল্পে আসা যাক। মূল গল্পটাকে রেখে অনুবাদ দেওয়া হল।

In a mother’s womb were two babies. One asked the other: “Do you believe in life after delivery?”The other replied, “Why, of course. There has to be something after delivery. Maybe we are here to prepare ourselves for what we will be later.”

মাতৃগর্ভে দুই সন্তান (যমজ) বড় হচ্ছে। একদিন একটি সন্তান (একে “প্রথম” নামে চিহ্নিত করবো) অন্যজনকে জিজ্ঞাসা করলো : ” প্রসবের পর  জীবন আছে , তা কি তুই  বিশ্বাস করিস?”

অন্যজনের (দ্বিতীয়) উত্তর : “কেন, অবশ্যই আছে। জন্মের পর আবশ্যই নতুন কিছু থাকবে। হয়তো আমরা পরবর্তীকালে যা হব আমাদের এখানে তারই প্রস্তুতি চলছে।

“Nonsense” said the first. “There is no life after delivery. What kind of life would that be?”

“ননসেন্স” বলল প্রথম জন। ” জন্মের (after Delivery)পর জীবন নেই। জীবন থাকলেও কি ধরনের জীবন হবে সেটা ?

The second said, “I don’t know, but there will be more light than here. Maybe we will walk with our legs and eat from our mouths. Maybe we will have other senses that we can’t understand now.”

দ্বিতীয় জন বলল : ” তা আমি জানি না, তবে এখানের চেয়ে অনেক বেশী আলো থাকবে সেথা । হয়ত আমরা আমাদের পা দিয়ে হাঁটব এবং মুখ দিয়ে খাবার খাবো। হয়তো আমাদের আরো কিছু অনুভূতি থাকবে যা এখন আমরা বুঝতে পারছি না।”

The first replied, “That is absurd. Walking is impossible. And eating with our mouths? Ridiculous! The umbilical cord supplies nutrition and everything we need. But the umbilical cord is so short. Life after delivery is to be logically excluded.”

প্রথম বলল : অবাস্তব। হাঁটা  অসম্ভব। মুখ দিয়ে খাওয়া? হাস্যকর ব্যাপার! নাভীর সঙ্গে যুক্ত নাড়ী দিয়েই আমাদের প্রয়োজনীয়  সব খাদ্যের জোগান পাই। এই খাদ্যের নলটা যদিও খুবই ছোট। জন্মের পর হয়ত এটা আর থাকবে না।”

The second insisted, “Well I think there is something and maybe it’s different than it is here. Maybe we won’t need this physical cord anymore.”

এবার দ্বিতীয় জোর দিয়ে বলল : ” বেশ, আমার মনে হয় অন্য কিছু ব্যাবস্থা থাকবে এবং সেটা হয়ত এখানের থেকে আলাদা হবে। তখন হয়ত আমাদের এই নাভীর সঙ্গে যুক্ত নাড়ীর প্রয়োজন হবে না।”

The first replied, “Nonsense. And moreover if there is life, then why has no one has ever come back from there? Delivery is the end of life, and in the after-delivery there is nothing but darkness and silence and oblivion. It takes us nowhere.”

প্রথম জনের উত্তর :  “ননসেন্স । যদি এই মাতৃ জঠরের বাইরে জীবন থেকে থাকে, তাহলে  সেখান থেকে তো কেও ফিরে আসেনি ? প্রসবের পর আমাদের জীবন শেষ এবং প্রসবের পর অন্ধকার, নিরবতা,  বিস্মৃতি ছাড়া কিছু নেই। আমরা শেষ হয়ে যাবো।”

“Well, I don’t know,” said the second, “but certainly we will meet Mother and she will take care of us.”

দ্বিতীয় জন বলল : ” বেশ, আমি জানি না,” তবে অবশ্যই মায়ের সাথে আমাদের দেখা হবে এবং তিনি আমাদের যত্ন করবেন।”

The first replied “Mother? You actually believe in Mother? That’s laughable. If Mother exists then where is She now?”

প্রথম জনের উত্তর : ” মা ? তুই কি মায়ে বিশ্বাস করিস? এটা হাস্যকর। যদি মা থাকতেন, তাহলে এখন তিনি  কোথায়?

The second said, “She is all around us. We are surrounded by her. We are of Her. It is in Her that we live. Without Her this world would not and could not exist.”

দ্বিতীয় জন বলল : ” তিনি সর্বত্র বিরাজমান। আমরা তাঁর দ্বারা পরিবৃত হয়ে আছি। আমরা তাঁরই। আমরা তাঁরই গর্ভে বাস করছি। তাকে ছাড়া এই জগত থাকবে না, থাকতে পারে না।

Said the first: “Well I don’t see Her, so it is only logical that She doesn’t exist.”

প্রথম জনের  উত্তর : ” বেশ, আমি তো তাঁকে দেখতে পাই না, তাই এটাই যুক্তিসম্মত যে তাঁর অস্থিত্ব নেই।”

To which the second replied, “Sometimes, when you’re in silence and you focus and listen, you can perceive Her presence, and you can hear Her loving voice, calling down from above.”

যার উত্তরে দ্বিতীয় জন বলল : ” কখনও কখনও নীরবে  ও একাগ্র চিত্তে শোনার চেষ্টা করলে তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করা যায়, এবং তাঁর স্নেহভরা কন্ঠস্বর শোনা যায়, উপর থেকে তিনি ডাকছেন।”

From  “Your Sacred self”  by Dr. Wayne Dyer


Posted in Bangla, God | Tagged | Leave a comment

চিঠি /Chithi


তোমার চিঠির আশায়, বসে থাকতাম পথ চেয়ে,

আসবে কখন তোমার চিঠি, ভালবাসার স্পর্শ নিয়ে।

This post has been re-arranged under the page “বাংলা কবিতা”।


Posted in Poem | Tagged , , , | Leave a comment

That was “A great day”

Anil's Blog


The Statesman” of  Friday, 15th Aug 1947 has been preserved in the museum of Cellular Jail, Port Blair, Andaman. I had an opportunity to visit the Cellular Jail in Oct 2009, and I found the newspaper kept for the visitors.  On the front page an advertisement of Tata Industries  attracted me and I tried to capture in my camera. The same is shown above. The newspaper has become brownish and must be brittle.   The content of the Ad.  may not be readable from the picture, the same is reproduced  under quote and unquote in bold letters, below  :

“In this great hour of India’s destiny we

offer our homage to those who fought

and suffered so that she may be free.

With freedom’s battle won, let us dedicate

Ourselves to the task of creating a happier

And fuller life for the people of India

And building a land…

View original post 184 more words

Posted in INDIA, FREEDOM, Uncategorized | Tagged , , , , , , , | Leave a comment

Sohrai: a Santhal festival


Sohrai, one of the biggest festivals among Santhal tribe of Hazaribagh district in the Indian state of Jharkhand, is celebrated during the same time when the Hindus celebrate Diwali. In this two-day festival, the cattle and their God — Pashupati — are worshipped to ensure the fertility of the land and the subsequent harvest. This festival is celebrated by Santhals because their animals help them to grow crops in field.

According to ancient mythology, Marang Buru (God of mountain), Jaher ayo (Goddess of forest) and the elder sister of the santhals, would descend on earth from heaven to pay a visit to their brothers and to commemorate this event, the harvest festival is celebrated at this time.

On the first day, the cattle are sent to the fields in the morning to graze, while in their absence, the womenfolks of the house decorate the huts by painting them and laying…

View original post 307 more words

Posted in Uncategorized | Leave a comment


(Please open and read in Firefox browser)

আমরা আরম্ভ করি, শেষ করি না;
আড়ম্বর করি, কাজ করি না;
যাহা অনুষ্ঠান করি তাহা বিশ্বাস করি না ;
যাহা বিশ্বাস করি তাহা পালন করি না;
ভুরি পরিমান বাক্যরচনা করিতে পারি,
তিল পরিমান আত্মত্যাগ করিতে পারি না;
আমরা আহঙ্কার দেখাইয়া পরিতৃপ্ত থাকি,
যোগ্যতালাভের চেষ্টা করি না;
আমরা সকল কাজেই পরের প্রত্যাশা করি,
অথচ পরের ত্রুটি লইয়া আকাশ বিদীর্ণ করিতে থাকি …

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Posted in Bangla, Thought | Tagged , , , , | 1 Comment