The story of Budhni Mejhan

budhni-mejhan

Budhni inaugurating the Power Station at the Panchet Dam in December 1959.

This is a tragic story of a tribal woman whose life was suddenly changed due to impact of a inaugural function with the then Prime Minister of India, Jawaharlal Nehru. Panchet Dam is one of the four multipurpose Dams (for flood control, irrigation, power generation and navigation) at Tilaiya, Konar, Maithon and Panchet were planned and constructed during fifties, after independence. The Panchet dam across the River Damodar at Panchet, in the Indian state of Bihar (Now Jharkhand) was inaugurated by India’s first Prime minister Jawaharlal Nehru in 1959. He described these dams as the temples of the developing India.

In 1959, I was a primary school student in our village near Panchet. I still remember we were excited to know that Prime Minister is coming to Panchet. Afterwards, we also heard that PM got the Dam opened by a Mejhan (Santal tribal working  women are known as “Mejhan”). That’s all. We never knew the impact on the life of that poor woman. After many years, when suddenly I discovered the rest of the story of that tribal woman, I tried to compose a poetry to tell the story (in Bengali). The same is published below. However the brief story is given below in English for those who do not know Bengali.

In 1959, Jawaharlal Nehru, then Prime Minister of India, was invited to inaugurate the newly constructed Panchet Dam. The officials selected two project workers, fifteen-year-old Santhal girls Budhni Mejhan and Robon Majhi, to welcome the Prime Minister. Budhni Mejhan formally garlanded Nehru. When Budhni returned home to her village of Karbona, the village elders told her that since she had garlanded Nehru, she had effectively “married” him; and since Nehru wasn’t a Santhal, she had married outside the community. As result of this “crime”, she was chased out of the village and shunned by her family and neighbours. Later she found refuge in the house of Panchet resident Sudhir Dutta and had a daughter by him; the daughter is also rejected by the Santhal community. In 1962, the DVC fired Budhni from her staff position. In 1985, then Prime Minister Rajiv Gandhi reinstated her at the DVC, but she and her daughter remain outcasts from their village.

(The above tragic story translated into Bengali and presented as a poem by me)

কবিতা : বুধনী মেঝান 

 ছোটবেলায় শুনেছিলাম বুধনী মেঝানের গল্প।

সেদিন লোকমুখে হয়েছিল প্রচার  অল্পসল্প।।

গল্প হয়তো জানা, হয়ত ওনেকের অজানা।

গল্প হলেও সত্যি, নয়কো আমার  কল্পনা।।

দামোদর তীরে,এক আদিবাসী গ্রাম,

সাঁওতাল পল্লী, কারবানা তাঁর নাম।

শান্ত নিবিড় ছায়াঘেরা কারবানা হোথা,

সভ্যতার প্রবেশ তখনো হয়নি সেথা।

বাঁধ তৈরী হোল শুরু, দামোদরের বুকে,

সবাই সপ্ন দেখে – কাটবে জীবন সুখে।

দূর গ্রামের অনেকে কাজ পেল যারা,

দিনান্তে ফিরতো গ্রামে,  দল বেঁধে তারা।

এমনি করে কাটছিল দিন, নিয়ে স্বামী সংসার ।

পঞ্চদশী সাঁওতাল রমনী, বুধনি নাম তার।

বাঁধ তৈরি হল শেষ, যাত্রা হবে শুরু।

উদবোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নেহরু।।

অভ্যর্থনায় পরাবে  কে টীকা ও মালা ?

বুধনীই ছিল সেদিনের ফয়সালা।

করল অভ্যর্থনা বুধনী সাঁওতাল বালা,

নেহেরুকে পরিয়ে টীকা আর মালা ।

শ্রমিকের মর্যাদা ভেবে বুধনী ছিল উপযুক্ত,

নেহরু বুধনীকে দিয়েই করলো বাঁধ উন্মুক্ত।

মুখে মুখে খবর গেল কারবানা গ্রামে,

গুঞ্জন ধিক্কার শুরু হল বুধনীর নামে।

সমাজ বলল ‘ বুধনী  কৈরলেক বিহা,

গলায় মালা আর কপালে টিক দিয়া।”

নেহেরুতো সাঁওতাল লয়, বুধনী হয়েছে জাতভ্রষ্ট।

বুধনী হল গ্রাম থেকে বিতাড়িত, সবাই বলল সে নষ্ট।।

বিতাড়িত বুধনীরে দিল না কেউ এক ফোঁটা জল ।

নিরুপায় বুধনী করল গ্রাম ত্যাগ, নিয়ে চক্ষু ছলছল।।

হটাৎ করে পালটে গেল তার চেনা জগতটাই।

সমাজ করল সর্ব্বহারা, রাস্তায় হল তার ঠাই।।

প্রধান মন্ত্রী নেহরু বলেছিলেন – ইতিহাস প্রমান,

আধুনিক ভারতে পাঞ্ছেত হল “দেবালয়” সমান।

ভাগ্যের পরিহাস, মন্দিরে হল সে আছ্যুত,

বিনা কারনে ডিভিসি করলো তারে কর্মচ্যুত।।

এমনি করেই  সমাজ কুসংস্কার আচ্ছন্ন,

কেড়ে নিল তাঁর ঘর সংসার, মুখের অন্ন ।।

প্রগতির বলি, বুধনী মেঝান হল নিস্বঃ।

পাঞ্ছেত ড্যাম কেড়ে নিল তার সর্ব্বস্বঃ ।।

অবশেষে মিলল ঠাই, দয়ালু দত্তবাবুর ঘরে,

ক্রমে তারা কাছে এল, বাঁধল ঘর নতুন করে।

যদিও বুধনী পায়নি তার চাকরী আর ফিরে,

তবুও তারা ছিল সুখে, কন্যা সন্তান ঘিরে।

কালের স্রোতে কেটেছে  বহু কাল যখন।

হলেন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী তখন।।

বুধনী গেল দিল্লী, আশায় সেদিন বুক বাঁধি।

তার দুক্ষের গল্প শুনলেন রাজীব গান্ধী।।

ফিরে পেল চাকরী সে, আশা পুর্ণ হল তার ।

গল্প হল শেষ আমার, নেইকো জানা আর।।

বুধনী হয়েচে অমর, হবে না বিস্মৃত  কোনদিন

পাঞ্ছেত ড্যামের সঙ্গে  বাঁচবে  বুধনী চিরদিন।।

******

Composed by Anil C Mandal (21 Oct 2013),  Copyright Anil C Mandal, All rights reserved.

Acknowledgements :
Photo courtesy : Nehru Memorial Museum and library, New Delhi
Advertisements

About Anil

Loving nature, traveling, reading and little bit of painting in my leisure. My love for nature & travel has lately developed a passion for photography which is reflected in my Blogs, especially showcased at my Blog "Nature & Travel Photos" (http: exxtracts.wordpress.com).
This entry was posted in History and tagged , , , , , , . Bookmark the permalink.

7 Responses to The story of Budhni Mejhan

  1. Pingback: Story of a tribal woman | Anil's webspace

  2. Anusia says:

    Oh thanks for sharing the story. Was completely unaware of it.

    Like

  3. Thanks for sharing the story. The poor girl lost her youth, her life!

    Liked by 1 person

  4. The Bangla poem is very nice!

    Liked by 1 person

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s